জাতীয় শিক্ষা

অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসে শিক্ষকদের অনশন প্রত্যাহার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে অনশন প্রত্যাহার করে নিলেন নন-এমপিও শিক্ষকরা।

আজ শুক্রবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা আশ্বাসের কথা শিক্ষকদের জানান। এরপর তারা কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এমপিওভু্ক্তি (মাসিক সরকারি বেতন-ভাতা) গত ৩১ ডিসেম্বর আমরণ অনশনে যান নন-এমপিও শিক্ষকরা। অনশনে শতাধিক শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েন।

গত ২ জানুয়ারি প্রেসক্লাবের সামনে নিয়ে শিক্ষকদের কাছে যান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করার আশ্বাস দেন। কিন্তু শিক্ষকরা তাঁর এ আশ্বাস প্রত্যাখ্যান করেন। প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত তারা অনশন চালিয়ে যাবেন বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন।

এর আগে গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন শিক্ষকরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা সচিব মো. সোহরাব হোসাইন। তিনি জানান, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ নন-এমপিও শিক্ষকদের অনশনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেছেন। তিনি আরো বলেন, ‘ প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে এমপিওভুক্তি প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা বলছেন, দীর্ঘ ১০ থেকে ১৫ বছর বিনা বেতনে শিক্ষাদান কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন তারা। এ কারণে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে তাদের। একই সঙ্গে ধরে রাখা যাচ্ছে না শিক্ষার মান।‘

নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিনয় ভূষণ রায় বলেন, দেশের ৯৮ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও কারিগরি মাদ্রাসা। সবই বেসরকারি ব্যবস্থাপনা নির্ভর। এর মধ্যে বিভিন্ন স্তরে পাঁচ-ছয় হাজারের বেশি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির অপেক্ষায় আছে, যা এই স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এক-চতুর্থাংশ।

ফেসবুক মতামত

জন মত দিয়েছেন

Show Buttons
Hide Buttons

সর্বশেষ খবর জানতে ফেসবুক এ আমাদের সাথে থাকুন

আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন খবর সংগ্রহ করে থাকি আপনারই জন্য। আমরা চাই আপনারা জানুন "সদ্য সংবাদ, সবার আগে"।


সর্বশেষ খবর জানতে ফেসবুক এ আমাদের সাথে থাকুন

আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন খবর সংগ্রহ করে থাকি আপনারই জন্য। আমরা চাই আপনারা জানুন "সদ্য সংবাদ, সবার আগে"।