ডাক্তারি পরামর্শ প্রচ্ছদ লাইফস্টাইল

আপনার সন্তান ঠিক মত ঘুমাচ্ছে কি? ঘুমের সমস্যা সমাধানে করনীয়!!

লেখকঃ সুমন খান

ঘুম তো সকলের জন্যই জরুরি।শিশুর ভালো ঘুম না হলে ওর স্বাস্থ্যের যেমন ক্ষতি হয়, তেমনি মা-বাবা নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারে না।  আর ভালো ঘুমের জন্য প্রয়োজন অভ্যাস গড়ে তোলা এবং তা একেবারে শিশু বয়স থেকেই।

শিশু বয়স থেকেই ঘুমের ‘ট্রেনিং’ প্রয়োজনঃ ঘুমের সমস্যা নিয়ে কোনো কথা হলে মানুষ ধরেই নেয় যে, তা বড়দের ব্যাপার। তবে ঘুমের অভ্যাস কিন্তু তৈরি করতে হয় শৈশবেই। না হলে পরে বা বড় হলে ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়। কারণ, সুস্থ থাকার জন্য ঘুম অত্যন্ত জরুরি। তাই যে কোনো মানুষেরই ভালো ঘুমের জন্য শৈশব থেকেই ‘ট্রেনিং’ বা নিয়মিত অভ্যাস করা প্রয়োজন বলে জানান জার্মানির শিশু বিশেষজ্ঞরা।

নিরিবিলি পরিবেশঃ একেবারে অন্ধকার ঘরে শিশুরা ঘুমোতে বা একা থাকতে ভয় পায়। তাই শিশুর ঘরে রাতে একটি ‘ডিম লাইট’ জ্বালিয়ে রাখা কিংবা দরজা একটু ফাঁক রাখা জরুরি। দরজাটা ফাঁক করে রাখলে পাশের ঘর থেকে কিছুটা আলো বা হালকা শব্দ আসতে পারে। এর ফলে শিশু ভয় না পেয়ে সেভাবেই ঘুমাতে অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারে।

টেডি বেয়ার বা কাপড়ের খেলনাঃ শিশুর জন্মের পর থেকেই ওর বিছানার পাশে একটি টেডি বেয়ার বা কাপড়ের তৈরি কোনো খেলনা রাখুন। ইচ্ছে করলেই যেন শিশুটি তা ওর বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে ধরতে পারে। তবে খেলনার কাপড় যেন ‘অ্যান্টি অ্যালার্জি’ হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

মিউজিক বা গানঃ ফিতা ধরে হালকা টান দিলেই মিউজিক বা গান বাজে, এরকম একটি রঙিন খেলনা ঘড়ি শিশুর বিছানার ওপর ঝুলিয়ে রাখতে পারেন। ঘুম ভেঙে গেলে যে শিশু কান্না শুরু করে, তা থেকে তাকে দূরে রাখার জন্য বেশ কাজে দেয় এই খেলনা ঘড়ি।

প্রথমেই কোলে তুলবেন নাঃ শিশু বিছানায় একটু কাঁদলেই অনেকে সাথে সাথে কোলে তুলে নেয়। আসলে তা না করে প্রথমে শিশুর গায়ে বা মাথায় একটু হালকাভাবে হাত বুলিয়ে দিন, কিংবা ওর কানের কাছে মুখ নিয়ে আদর করে কিছু বলুন, দেখবেন তাতেই হয়তো শিশু আবার ঘুমিয়ে যাবে। এভাবে কাজ না হলে অবশ্যই কোলে তুলে নিতে হবে।

সুশৃঙ্খল জীবন যাপনঃ জার্মানরা বিশ্বে সুশৃঙ্খল জাতি হিসেবে পরিচিত। জার্মানিতে একটা কথা প্রচলিত আছে যে, ‘অর্ডনুং ইস্ট ডাস হালবে লেবেন’, যার অর্থাৎ নিয়মমাফিক চললে জীবন অনেক সহজ হয়ে যায়। প্রতিদিন একই সময়ে একই কাজ করা হলে মানুষ সেভাবেই কিন্তু অভ্যস্ত হয়ে যায়। তাই শিশু বয়স থেকেই ঘুম, খাওয়া-দাওয়া বা বই পড়ার মতো জরুরি কিছু বিষয়ে অভ্যাস তৈরি করা উচিত। পরবর্তী জীবনে এসবের সুবিধা পাওয়া যায়।

শিশুকে ‘পান’ করানঃ শিশু যেন দিনের বেলায় যথেষ্ট ক্যালোরিযুক্ত খাবার খায় এবং তরল পান করে, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কারণ, ক্যালোরি ও পানির অভাবেও অনেক সময় শিশুর ঘুম ভেঙে যেতে পারে বা সময়মতো ঘুম না আসতে পারে। তাছাড়া দিনের বেলায় ভীতিকর কোনো ঘটনা দেখলেও রাতে শিশুর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

সংগৃহীত – অনলাইন

ফেসবুক মতামত

জন মত দিয়েছেন

Show Buttons
Hide Buttons

সর্বশেষ খবর জানতে ফেসবুক এ আমাদের সাথে থাকুন

আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন খবর সংগ্রহ করে থাকি আপনারই জন্য। আমরা চাই আপনারা জানুন "সদ্য সংবাদ, সবার আগে"।


সর্বশেষ খবর জানতে ফেসবুক এ আমাদের সাথে থাকুন

আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন খবর সংগ্রহ করে থাকি আপনারই জন্য। আমরা চাই আপনারা জানুন "সদ্য সংবাদ, সবার আগে"।