জাতীয়

উন্মুক্ত স্থানে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন নিষিদ্ধঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল

লেখকঃ সুশান্ত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষে উন্মুক্ত স্থানে সভা-সমাবেশ, গান-বাজনা-অনুষ্ঠান করতে দেওয়া হবে না। নিরাপত্তার স্বার্থেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওইদিন যা কিছু করার সব হবে ঘরের মধ্যে।

মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেলে রমনার বাংলাদেশ পুলিশ অফিসার্স মেসে ঢাকা মেট্রোপলিটন শ্যুটিং ক্লাবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বেরিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ওইদিন সব বার বন্ধ থাকবে। মাদক দ্রব্যের ব্যবহার না হয় সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। থার্টি ফার্স্ট উপলক্ষে উন্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠান করতে দেওয়া হবে না। দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জানমালের নিরাপত্তার কথা ভেবেই উন্মুক্ত স্থানে না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যা কিছু হবে সব ঘরের মধ্যে।

এর আগে রাজধানীর ইস্কাটনে পুলিশ অফিসার্স মেসে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে কেক কেটে ঢাকা মেট্রোপলিটন শুটিং ক্লাবের আনু্ষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন। সঙ্গে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব বাংলাদেশ পুলিশ এ কে এম শহীদুল হক বিপিএম, পিপিএম, বাংলাদেশ শুটিং ফেডারেশনের সভাপতি নাজিমদ্দিন চৌধুরী, বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের মহাসচিব শাহেদ রেজা, অতিরিক্ত আইজিপি (এসবি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, অতিরিক্ত আইজিপি (এ্যাডমিন) মোঃ মোখলেছুর রহমানসহ পুলিশের অন্যান্য অফিসারবৃন্দ।

অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্তি আইজিপি (এপিবিএন) ও ঢাকা মেট্রোপলিটন শুটিং ক্লাবের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ক্রীড়া জগতে শুটিং এর অনেক অবদান রয়েছে। বাংলাদেশ শুটিং ফেডারেশনে এই নতুন ক্লাবকে স্বাগত জানাই। শুটিং নিয়মিত প্রাকটিস না করলে ভালো ফল পাওয়া সম্ভব নয়। আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তার মধ্যেও প্রাকটিসের ব্যবস্থা করে নিয়মিত প্রাকটিস করতে হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বর্তমানে অন্যান্য শুটিং ক্লাবের মত এই নতুন ক্লাবটি ভালো করবে।

আইজিপি তাঁর বক্তব্যে সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন শুটিং ক্লাব প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোক্তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ। তাঁরা অনেক পরিশ্রম করেছে এই ক্লাবটি প্রতিষ্ঠা করতে। আমার কাছে ক্লাবটি প্রতিষ্ঠা করার প্রস্তাব নিয়ে আসলে আমি অতিরিক্ত আইজিপি এপিবিএনকে সভাপতি করে ক্লাবটি গঠন করে দিয়েছিলাম। এই খেলাটা অনেক ব্যয়বহুল। তারপরও সকলের চেষ্ঠায় ভাল অনুশীলন করে খেলার মান উন্নত করে এই খেলায় বিশেষ অবদান রাখতে হবে। আমাদের যেহেতু নিজস্ব কোন শুটিং রেঞ্জ নেই সেহেতু রেঞ্জ ভাড়া করে খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

বাংলাদেশ শুটিং ফেডারেশনের সভাপতি বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন শুটিং ক্লাব শুটিং ফেডারেশনের কাছে তালিকাভুক্ত ক্লাব হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করার আবেদন করলে আমরা ক্লাবটিকে তালিকাভুক্ত করি। শুটিং ফেডারেশনে মোট ২১ টি ইভেন্টে খেলা হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন শুটিং ক্লাবটি যেহেতু প্রফেশনাল লোকদের তাই একটু পরিশ্রম ও ভালো প্রশিক্ষণ দিলে তারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভালো করবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন শুটিং ক্লাব এর সভাপতি তাঁর সমাপনী বক্তব্যে বলেন, এই ক্লাবটির যাত্রা শুরুর মাধ্যমে ক্রীড়া জগতে পুলিশ বাহিনীর যাত্রা আরো একধাপ এগিয়ে গেল। এই ক্লাবটি প্রতিষ্ঠা করতে যাদের অবদান সবচেয়ে বেশি তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা পোষণ করেন।

ফেসবুক মতামত

জন মত দিয়েছেন

Show Buttons
Hide Buttons

সর্বশেষ খবর জানতে ফেসবুক এ আমাদের সাথে থাকুন

আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন খবর সংগ্রহ করে থাকি আপনারই জন্য। আমরা চাই আপনারা জানুন "সদ্য সংবাদ, সবার আগে"।


সর্বশেষ খবর জানতে ফেসবুক এ আমাদের সাথে থাকুন

আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন খবর সংগ্রহ করে থাকি আপনারই জন্য। আমরা চাই আপনারা জানুন "সদ্য সংবাদ, সবার আগে"।